ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • বৃহস্পতিবার   ০৪ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ২১ ১৪২৭

  • || ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

দৈনিক কিশোরগঞ্জ
৬৫

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকেও এগিয়ে বেগম রোকেয়ার মেয়েরা!

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০২০  

প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীরা মেধা ও যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে আসছে। পড়ালেখার পাশাপাশি বিতর্কে, রোভার স্কাউটে, নাচ, গান, কবিতা আবৃত্তিসহ সাহিত্য-সংস্কৃতির সব জায়গায় পদচারণা করছেন তারা। 

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক দেয়া হয়। এবারে দেশের ৩৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭২ শিক্ষার্থীকে (৮৮ ছাত্রী ও ৮৪ ছাত্র) এই দেয়া হয়। এর মধ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৬ শিক্ষার্থী এ পদক পেয়েছেন। মজার বিষয় হলো, এই ছয়জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচজনেই মেয়ে শিক্ষার্থী। 

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এ পুরস্কার দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন। 

বেরোবি থেকে স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন- কলা অনুষদের ইতিহাস ও প্রত্নতত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী লিমা আক্তার (সিজিপিএ ৩.৫৭), সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী তানজিলা আক্তার (সিজিপিএ- ৩.৮৩), বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী সোহানা ইয়াসমিন (সিজিপিএ- ৩.৮৬), বিজ্ঞান অনুষদের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবা আক্তার (সিজিপিএ- ৩.৮৮), জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী সুমনা আক্তার (সিজিপিএ- ৩.৮৭) এবং একমাত্র ছেলে শিক্ষার্থী হিসেবে স্বর্ণপদক পেয়েছেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ইলেক্ট্রনিক অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সোয়াইব হাসান (সিজিপিএ- ৩.৬৯)।

স্বর্ণপদকের পাওয়ায় অনুভূতির কথা জানিয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবা আক্তার। তিনি বলেন, একজন মেয়ে হিসেবে নয় বরং একজন ভালো মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে- আমার মা-বাবার এই উপদেশই আমাকে স্বপ্ন দেখতে সাহায্য করে। কিন্তু আমার চলার পথ কখনও কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না, একজন মেয়ে হয়েও সময়ের সাথে চ্যালেঞ্জ করে সামনে এগিয়ে গিয়েছি, কিছু মানুষকে আদর্শ জেনে, কিছু মানুষের লাগামহীন অনুপ্রেরণায়। 

তিনি আরো বলেন, একাগ্র ছিলাম। যে কাজটাই করি সৎ চিন্তা, সৎ সাহস নিয়েই করি,তাই বোধহয় অনেক অন্ধকার কেটে গেছে। উপমহাদেশের নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে আমি গর্বিত, যার প্রাণপণ চেষ্টায় আজকে মেয়েদের বন্দীদশা হতে মুক্তি হয়েছে। আমি গর্বিত যে, আমার প্রিয় ব্যক্তিত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী'র হাত থেকে সরাসরি পদক প্রাপ্ত গ্রহণ করলাম।

শিক্ষা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর