ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • মঙ্গলবার   ০২ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৮ ১৪২৭

  • || ১০ শাওয়াল ১৪৪১

দৈনিক কিশোরগঞ্জ
৯২

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল দেড় কোটি টাকা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

মাত্র তিন মাস ২০ দিন পর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের আটটি দানবাক্স খুলে মিলল এক কোটি ৫০ লাখ ১৮ হাজার ৪৯৮ টাকা। এছাড়া একই সঙ্গে পাওয়া গেলো স্বর্ণ, রূপাসহ বৈদেশিক মুদ্রা।

শনিবার সকালে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার সামনে মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়। পরে তার তত্ত্বাবধানে প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য ও দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টাকা গণনার কাজ শুরু করেন। সারাদিন সেই গণনার কাজ বিকেলে শেষ হয়।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানান, সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী তিন মাস পরপর মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এবার নির্ধারিত সময়ের ২০ দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছে। এরপর বাক্সগুলোতে পাওয়া বাংলাদেশি মুদ্রা গুনে নগদ এক কোটি ৫০ লাখ ১৮ হাজার ৪৯৮ টাকা পাওয়া যায়।

তিনি আরো জানান, দানের টাকা রূপালী ব্যাংকে রাখা হয়েছে। এছাড়া দানবাক্সে পাওয়া স্বর্ণালঙ্কার আগের রাখা স্বর্ণালঙ্কারের সিন্দুকে জমা করা হয়েছে। তাছাড়া মসজিদে দান পাওয়া হাস-মুরগি প্রতি সপ্তাহে নিলামে বিক্রি হয়। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ২৬ অক্টোবর মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে এক কোটি ৫০ লাখ ৮৪ হাজার ৫৯৮ টাকা পাওয়া যায়।

কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদীর তীরে চার একর জায়গা জুড়ে রয়েছে ‘পাগলা মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্স’। প্রায় ২৫০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি নিয়ে অনেক কাহিনী প্রচলিত রয়েছে। মানুষের বিশ্বাস, মনোবাসনা পূরণ করতে মসজিদটিতে মানত করতে হয়। তাই দেশ-বিদেশের নানা প্রান্ত থেকে লোকেরা সেখানে ছুটে আসেন। এদিকে দানবাক্সে পাওয়া টাকা মসজিদ কমিটি, জনপ্রতিনিধি ও দায়িত্বশীলদের পরামর্শে উন্নয়ন, জনকল্যাণমূলক কাজে খরচ করা হয়।