ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • মঙ্গলবার   ১১ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৬ ১৪২৭

  • || ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

দৈনিক কিশোরগঞ্জ
৪৬

ডিম পাড়লেও ফুটছে না পেঙ্গুইন ছানা, মেরু অঞ্চল ছাড়ছে তারা!

অনলাইন নিউজ

প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২০  

সাম্রাজ্য হারিয়ে ফেলছে পেঙ্গুইনরা। তাদের পায়ের তলার বরফ যে সরে যাচ্ছে! আর তাইতো এই বরফবাসীরা দিনকে দিন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়ছে। এমনকি প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ডিম পাড়লেও বাচ্চা উৎপাদনে ব্যাহত হচ্ছে তারা। এতে করে তাদের সংখ্যা দিনকে দিন কমছে। 

সম্প্রতি এক গবেষণায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। এতে জানা গেছে, ২০১৬ সালে অ্যান্টার্কটিকার বৃহত্তম পেঙ্গুইনের উপনিবেশটি বর্তমানে ধ্বংসের মুখে। এতে করে প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি পেঙ্গুইনের ডিম নষ্ট হয়ে যায়। 

 

পেঙ্গুইন মা পা দিয়ে আগলে রেখেছে ডিম

পেঙ্গুইন মা পা দিয়ে আগলে রেখেছে ডিম

আর তাই পেঙ্গুইনের সংখ্যা না বাড়ায় ও প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে তাদের কলোনি বর্তমানে মুখ থুবড়ে পড়েছে। কারণ তারা যেসব স্থানে বাস করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে সেসব স্থানগুলো বিলীন হয়ে যাচ্ছে। হিমবাহের বরফ গলে যাচ্ছে। এ কারণেই পেঙ্গুইন কলোনি থেকে তারা বিভিন্ন স্থানে সরে যাচ্ছে। এতে করে মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়েছে পেঙ্গুইনরা। 

 

ইংল্যান্ডের ব্রিটিশ অ্যান্টার্ক্টিক সার্ভে ইন ক্যামব্রিজের ভূ-ত্বত্ত্ববিদ ফিল ত্রাথান বলেন, পেঙ্গুইনদের বাসস্থান সংকটের মুখে। বাচ্চা উৎপাদনের জন্য সহায়ক পরিবেশ তারা পাচ্ছে না। জীবন বাঁচাতে তারা নিজেদের কলোনি ছাড়ছে। এতে করে তারা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। 

 

ছানা পেঙ্গুইনদের ঘিরে রেখেছে মা-বাবারা

ছানা পেঙ্গুইনদের ঘিরে রেখেছে মা-বাবারা

ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক জরিপের গবেষণা দলটি জানিয়েছে, হ্যালি বে’র দ্বিতীয় বৃহত্তম পেঙ্গুইন কলোনিটি অদৃশ্য হয়ে গেছে। অন্যদিকে, উষ্ণ আবহাওয়া ও অত্যাধিক তুষারপাত সঙ্গে বাতাসের ফলে পেঙ্গুইনরা সর্বোচ্চ ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। ২০১৫ সালে ৬০ বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী ‘এল নিনো’ ঝড়ের প্রভাবে হ্যালি বে অঞ্চলটি মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। 

 

হ্যালি বে অঞ্চলে পেঙ্গুইনরা জড়ো হয় এপ্রিল মাসে। পরবর্তী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত তারা সেখানে ডিম পেড়ে বাচ্চা উৎপাদন করে। ত্রাথান বলেন, বরফ অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ অনুকূলে না থাকায় এই সময়কালীন অন্তত সাড়ে ১৪ হাজার থেকে ২৫ হাজার পেঙ্গুইনের ডিম ২০১৬ সালের পর থেকে নষ্ট হয়ে গেছে।

 

কমছে পেঙ্গুইনের সংখ্যা

কমছে পেঙ্গুইনের সংখ্যা

ব্রিটিশ গবেষকরা ১৯৫৬ সাল থেকে এই অঞ্চলে পেঙ্গুইনের জীবনধারণ সম্পর্কে গবেষণা করে আসছেন। তবে পেঙ্গুইন সংখ্যা ভয়াবহ মাত্রায় হ্রাস পেতে তারা আগে কখনো দেখেননি। অন্যান্য বিজ্ঞানীরা অবশ্য জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শতাব্দীর শেষের দিকে পেঙ্গুইনের সংখ্যা কমবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন। 

 

ম্যাসাচুসেটসের উডস হোল ওশানোগ্রাফিক ইনস্টিটিউশনের সহযোগী গবেষক স্টেফানি জেনোভারিয়ার বলেছেন, আগামী কয়েক দশকে বিশ্বব্যাপী ৩০ শতাংশ পেঙ্গুইন হ্রাস পাবে। 

সূত্র: টাইমসঅবইন্ডিয়া

ইত্যাদি বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর