ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৪ ১৪২৭

  • || ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

দৈনিক কিশোরগঞ্জ
৪৬

টেকনাফে গোলাগুলিতে ২ মাদক কারবারি নিহত

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯  

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে দুই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী  নিহত হয়েছেন। এ সময় এক উপ-পরিদর্শকসহ ৫ পুলিশ সদস্য আহত হন।

নিহতরা হলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত উপজেলার হোয়াইক্যং নয়াবাজার এলাকার দিল মোহাম্মদের ছেলে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী-ডাকাত আব্দুল হাকিম ওরফে হাকিম ডাকাতের সহযোগী আমিন প্রকাশ নুর হাফেজ (৩২) ও হ্নীলা রঙ্গিখালী এলাকার সাব্বির আহমদের ছেলে সোহেল (২৭)।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, উপ-পরিদর্শক কামরুজ্জামান (৫০), সহকারী উপ পরিদর্শক  সনজিব দত্ত (৩২), মিশকাত উদ্দিন (৩০), কনস্টেবল সিকান্দর আলী (২৩) ও মহিউদ্দিন (২২)।
শনিবার ভোররাতে  উপজেলার রঙ্গিখালী গাজীপাড়ার পশ্চিম পাহাড়ের পাদদেশে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। 

তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ।

পুলিশ জানায়, নিহত দু’জনই মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলার রয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত পৌনে ৯টার দিকে র‌্যাব-৭ কর্তৃক  ৮ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা, ৬টি অস্ত্র ও ৭০ রাউন্ড গুলিসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী দিল মোহাম্মদের ছেলে আমিন প্রকাশ নুর হাফেজ, সাব্বির আহমদের ছেলে সোহেল, ছৈয়দ হোসেনের ছেলে ছৈয়দ নুর, মৃত দলিলুর রহমানের ছেলে সৈয়দ আলম প্রকাশ কালুকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তি মতে ভোররাতে হ্নীলা রঙ্গিখালী গাজীপাড়া পশ্চিম পাহাড়ের পাদদেশে অভিযানে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আবুল আলম ও তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে উপপরিদর্শক কামরুজ্জামান, সহকারী উপ-পরিদর্শক সনজিব দত্ত, সহকারী উপ-পরিদর্শক মিশকাত উদ্দিন, কনস্টেবল সিকান্দর আলী ও মহিউদ্দিন আহত হন। 

এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। দু’দলের গোলাগুলির মাঝখানে পড়ে নুর হাফেজ ও সোহেল গুলিবিদ্ধ হয়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ৯৫ হাজার ইয়াবা, ছয়টি দেশীয় তৈরি এলজি, ১৮ রাউন্ড তাজা কার্তুজ , ১৩ রাউন্ড খালি খোসাসহ গুলিবিদ্ধ নুর হাফেজ ও সোহেলকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়া হয়। সেখানে আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক টিটু চন্দ্র শীল বলেন, ভোররাতে পুলিশ ৭জনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এরমধ্যে পাঁচজন পুলিশ সদস্য। অপর দুইজন সাধারণ মানুষ। তাদের শরীরে দুটি করে গুলির চিহ্ন রয়েছে। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং সকালে পুলিশের পাঁচজন সদস্যকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদেরকে ভোররাতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। 

রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।

স্বদেশ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর