ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২৪ ১৪২৭

  • || ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

দৈনিক কিশোরগঞ্জ
৩৭

টানা দ্বিতীয় হার রংপুরের, জয়ে ফিরলো চট্টগ্রাম

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯  

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ঢাকা প্রথম পর্বের শেষ দিনের প্রথম ম্যাচে রংপুর রেঞ্জার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার মোহাম্মদ নাঈমের ৭৮ রানের সুবাদে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান তোলে রংপুর। জবাবে ১৮.২ ওভার শেষে ৬ উইকেট হাতে রেখে সহজ জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম।
রংপুরের দেয়া ১৫৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রামকে দুরন্ত সূচনা এনে দেন চ্যাডউইক ওয়ালটন ও আভিস্কা ফার্নান্দো। ৭.১ ওভারের ওপেনিং জুটিতে ৬৮ রান তোলেন তারা। ২৩ বলে ২ চার ও ৩ ছয়ে ৩৭ রান করে গ্রেগরির বলে ফিরে যান আভিস্কা। 
ইমরুল কায়েসকে সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামের সহজ জয়ের ভিত গড়ে দেন আরেক ওপেনার ওয়ালটন। দলীয় ১০৯ রানের মাথায় মোহাম্মদ নবীর শিকারে পরিণত হওয়ার আগে অর্ধশতক তুলে নেন ওয়ালটন। ৩৪ বলে ৫০ রান করার পথে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান তিনি। 

তার বিদায়ের পর চট্টগ্রামের রানের চাকা কিছুটা শ্লথ হয়ে যায়। ধীরগতিতে খেলতে থাকেন ইমরুল কায়েস ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দলীয় ১৩৯ রানের মাথায় টম অ্যাবেলের বলে নাদিফ চৌধুরীর দুর্দান্ত এক ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন রিয়াদ। ১৬ বলে ১৫ রান আসে তার ব্যাট থেকে। 

নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি নাসির হোসেন। দল যখন জয় থেকে মাত্র ৪ রান দূরে তখন ৩ বলে ৩ রান করে গ্রেগরির বলে অ্যাবেলের হাতে ক্যাচ দেন নাসির। 

তবে ইমরুল কায়েসের দৃঢ়তায় জয় পেতে কোনো সমস্যা হয়নি চট্টগ্রামের। ১০ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে বন্দরনগরীর দলটি।  ৩৩ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত থাকেন কায়েস। 
রংপুরের সফলতম বোলার লুইস গ্রেগরি ২৭ রান খরচায় নেন ‌২ উইকেট। 

এর আগে, টস হেরে ব্যাট করতে নেমে রংপুরকে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন দুই ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদ ও মোহাম্মদ নাঈম। তাদের ৩.১ ওভারের ২৫ রানের সে জুটি ভাঙেন কেসরিক উইলিয়ামস। ৯ বলে ৯ রান করে রায়ান বার্লের হাতে ধরা পড়েন শাহজাদ। 

তরুণ মোহাম্মদ নাঈম আরেক প্রান্তে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিমায় খেলতে থাকলেও দ্রুতই ফিরে যান টম অ্যাবেল। ৯ বলে ১০ রান করা অ্যাবেলকে ফেরান বার্ল। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি জহুরুল ইসলামও। ১৩ বলে ৬ রান করা জহুরুলকে সাজঘরে পাঠান চট্টগ্রামের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। 

একপ্রান্ত আগলে রেখে অর্ধশতক তুলে নেন নাঈম। জহুরুলের বিদায়ের পর নাঈমের সঙ্গে আক্রমণে যোগ দেন অধিনায়ক মোহাম্মদ নবী। নবীর ১২ বলে ২১ রানের ছোট এক ক্যামিওতে সম্মানজনক স্কোরের দিকে এগিয়ে যায় রংপুর। দলীয় ১১৭ রানের মাথায় নবীকে ফেরান উইলিয়ামস।  
দলীয় ১৩৮ রানের মাথায় ফিরে যান নাঈমও। রুবেল হোসেনের বলে মেহেদী হাসান রানার হাতে ধরা পড়ার আগে ৫৪ বলে ৭৮ রান করেন তিনি। তার ইনিংসটি সাজানো ছিলো ৬টি চার ও ৩টি ছয়ের মারে। 

নাঈমের বিদায়েই মূলত রংপুরের বড় সংগ্রহের আশা ধূলিস্ম্যাৎ হয়ে যায়। শেষের দিকে তাসকিন আহমেদের ৪ বলে ১১ রানের ক্যামিওতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান তোলে মোহাম্মদ নবীর দল। 

রায়ান বার্ল ও কেসরিক উইলিয়ামস দুটি করে উইকেট নেন। ইনজুরি থেকে ফেরা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১ উইকেট নিলেও রান দেন মাত্র ১৭।

তিন ম্যাচে দুই জয়ে চার পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে থেকে ঢাকার প্রথম পর্ব শেষ করলো চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। অপরদিকে দুই ম্যাচ খেলে এখনো জয়ের দেখা পায় রংপুর রেঞ্জার্স। 

আগামী ১৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের চট্টগ্রামপর্ব। 

খেলা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর