ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • বৃহস্পতিবার   ০৯ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৬ ১৪২৬

  • || ১৫ শা'বান ১৪৪১

৩৭১

এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে টিকে থাকার সামর্থ্য থাকতে হবে : সিইসি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিভিন্ন কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, গুলি, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেন, ‘আমরা এমন ভোট চাইনি।’

তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যারা আছে তাদের কাছে আমার নির্দেশ, এ জাতীয় পরিস্থিতি যদি ঘটে, তাহলে তারা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেবেন। যারা প্রার্থী, ভোটার বা সমর্থক তাদের প্রতি আমার অনুরোধ, যাতে তারা পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রাখেন।’

আজ শনিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরের আইইএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি। ভোটপ্রদান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।  

দুপুর পর্যন্ত ২৭৬ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন ওই কেন্দ্রে-এ বিষয়ে কে এম নূরুল হুদা বলেন, ‘ভোটার উপস্থিতি এখন পর্যন্ত ভালো না। হয়তো পরে ভোটার বাড়বে।’

প্রার্থীদের অভিযোগ পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে এখন পর্যন্ত অভিযোগ নেই। আমি বাসা থেকে বের হওয়ার আগে টিভিতে দেখলাম মানুষ লাইন দিয়ে ভোট দিচ্ছে। ইভিএমের বিষয়ে মানুষের ইতিবাচক সাড়া মিলছে। ইভিএম বুঝতে যাদের কষ্ট হচ্ছে, তারা বুঝে নিয়ে ভোট দিচ্ছে। তারা খুশি।’

ইভিএমে ভোট দেওয়ার কয়েকটি উপায় আছে জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘যাদের ফিংগার প্রিন্ট মিলছে না, তাদের ভোট দেওয়ার তিন-চারটি উপায় রয়েছে। এর যেকোনো একটি উপায়ে তারা ভোট দিতে পারবেন।’

ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সকালে আসেনি, হয়তো পরে আসবে। যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, ভোটার আনার বিষয়ে তাদের দায়িত্ব বেশি। এক্ষেত্রে আমাদের দায়িত্ব কম। আমাদের পরিপূর্ণ দায়িত্ব আমরা পালন করেছি।’

বিএনপির এজেন্ট বের করে দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের নির্দেশনা হলো ম্যাজিস্ট্রেট বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি এমন অভিযোগ পায় তাহলে তাকে ভোটকেন্দ্রে ফের ঢুকিয়ে দেবেন। এজেন্টদের সঙ্গে এমন কিছু ঘটলে প্রথমে তিনি প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কাছে যাবেন। তার সাহায্য চাইবেন। সেখানে কাজ না হলে ভোটকেন্দ্রের বাইরে এসে তার নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট থাকলে তাকে জানাবেন। ম্যাজিস্ট্রেট না থাকলে ঊধ্বর্তন পুলিশ কর্মকর্তাদের জানাবেন।’

সিইসি বলেন, ‘এজেন্টদের ভোটকেন্দ্রে টিকে থাকার সামর্থ্য থাকতে হবে। একজন বের হতে বললো আর বের হয়ে আসবেন, এমন হতে পারে না। বের হতে বললেই বের হবেন, এটা ম্যানেজ হলো না। তারা যেন তাৎক্ষণিক প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে বলেন, ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেন। একজন বের হতে বললো আর বের হয়ে গেলো−এর না আছে কোনো অভিযোগ, না আছে কোনো ভিত্তি, না আছে লোকটির অস্তিত্ব। আমরা এমন অভিযোগের কী করতে পারি?’

তাহলে কি এজেন্ট মারামারি করে কেন্দ্রে টিকে থাকবে-এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমি মারামারির কথা বলছি না। যদি বলে যাও, এজেন্ট বলবে “আমি যাবো না।” এরপরও যদি বের করার চেষ্টা হয় তাহলে পরবর্তী ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারে এজেন্ট। এজেন্টকে কেউ বের করে দিল, নাকি নিজের ইচ্ছায় বের হয়ে গেল, তা প্রতিষ্ঠিত হওয়া দরকার।’

ভোটকেন্দ্রে যাতে কোনো বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি না হয়, সেজন্য প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের প্রতিও অনুরোধ করেন সিইসি।

দৈনিক কিশোরগঞ্জ
দৈনিক কিশোরগঞ্জ
স্বদেশ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর