ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

রোববার   ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩০ ১৪২৬   ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

২১৬

ঋণে সুদহার কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২ ডিসেম্বর ২০১৯  

ঋণে সুদহার কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। 

তিনি বলেন, খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির একটি মাত্র কারণ হচ্ছে ঋণে সুদহার খুব বেশি। আমাদের মতো এত বেশি সুদহার পৃথিবীর আর কোথাও নেই। তবে ঋণে সুদহার কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ১৪-১৫ শতাংশ সুদ দিয়ে উদ্যোক্তারা শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে কীভাবে? তাই আমরা আজ বসেছিলাম সুদহারটা কীভাবে কমানো যায়। ব্যাংকাররাও ফিল করে যে সুদহার কমাতে হবে। সুদহার কমাতে পারলে আমরা অনেক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে পারব।

রোববার পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে খেলাপি ঋণ কমানোর ঘোষণা দিলেও তা না কমে উল্টো বেড়েছে। এ বিষয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, খেলাপি ঋণ এদেশের সব নাগরিকের অর্থ, তাদের কষ্টার্জিত টাকা। সুতরাং তাদেরও একটা বক্তব্য আছে। আমি তাদের হয়ে বলেছিলাম যে এটা বাড়বে না। এটা দুঃসাধ্য কাজ না, যদি আমরা সঠিক রাস্তায় থাকি এবং সঠিক সময়ে সঠিক কাজটা করতে পারি তাহলে সেটা সম্ভব।

খেলাপি ঋণ কমানোর জন্য দেয়া বিশেষ সুবিধার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, কিন্তু ১৪-১৫ শতাংশ সুদ দিয়ে খেলাপিরা ঋণ শোধ করে শেষ করতে পারবে না। কারণ, একদিকে সুদ দেয়, অন্যদিকে এটা বাড়তে থাকে। এটা দিয়ে কুলাতে পারে না।

ব্যাংক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা চাই- যে উদ্দেশে সরকার ব্যাংকগুলো অনুমোদন দিয়েছে সেই জায়গা থেকে তারা কাজ করবে। এনপিএল কমাতে হবে এবং সুদহারও কমাতে হবে। আমাদের বেসরকারি ব্যাংক অনেক এলাকা কাভার করে। দেশের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। এগুলো সম্ভব হয়েছে আমাদের সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলোর কারণে।

সুদহার কমালে মন্দঋণ স্বাভাবিকভাবেই কমবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দৈনিক কিশোরগঞ্জ
দৈনিক কিশোরগঞ্জ
এই বিভাগের আরো খবর