ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’

রোববার   ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৩০ ১৪২৬   ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

৭০

আইএসের টুপির বিষয় খতিয়ে দেখা হবে: মনিরুল

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০১৯  

গুলশানে হলি আর্টিজান হামলা মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাকিবুল হাসান রিগানের মাথায় আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএস এর পতাকা খচিত টুপির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আমার জানামতে আইএস কোনো টুপি তৈরি করেছে, পৃথিবীর কোথাও এরকম কোনো দৃষ্টান্ত নেই। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখব। এটা কীভাবে সে পেল? দায়িত্ব পালনে কারো গাফিলতি ছিল কিনা সে বিষয়টিও দেখা হবে।

বুধবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে হলি আর্টিজান মামলার রায় পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মো. মনিরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

এত স্বল্প সময়ে এমন একটি চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণার মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা বিশ্বে বিরল বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

তিনি বলেন, হলি আর্টিজান মামলার রায় সন্ত্রাসীদের জন্য একটি মেসেজ (বার্তা)। এ রায়ের মাধ্যমে সন্ত্রাসীরা কঠিন বার্তা পেল। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করতে কেউ সাহস পাবে না।

ডিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, যে ২১ জন এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে কিংবা পরিকল্পনা করেছে তাদেরকে মানুষের পর্যায়ে ফেলা যায় না। তারা মানবতা, রাষ্ট্র ও ধর্মের বিরুদ্ধে কাজ করেছে।

তিনি বলেন, হলি আর্টিজান জঙ্গি হামলা মামলার তদন্তটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে সময় নবাগত কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটটির সক্ষমতা প্রযুক্তিগতভাবে ভালো ছিল না। শুধুমাত্র দেশপ্রেম, আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে চাঞ্চল্যকর এ মামলাটি তদন্ত শুরু করেছিল ইউনিটটি। 

এটা বাংলাদেশ পুলিশের একটি বড় সাফল্য উল্লেখ করে মনিরুল ইসলাম বলেন, বহির্বিশ্বে দেখা যায় এ সব অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীরা গ্রেফতার না হয়ে নিহত হয়ে যায়।

তিনি বলেন, হলি আর্টিজান ছাড়াও আরো হামলার পরিকল্পনা ছিল জঙ্গিদের। কাউন্টার টেরোরিজম ২০১৬ সালের জুলাইয়ে কল্যাণপুরে জীবিত এক আসামিকে গ্রেফতার করে হলি আর্টিজান মামলার ফাউন্ডেশন খুঁজে পায়। একই বছরের আগস্ট মাসে নারায়ণগঞ্জে জঙ্গি বিরোধী এক অভিযানে মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরী নিহত হয়। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে ধারাবাহিক জঙ্গি বিরোধী অভিযানে নব্য জেএমবির নেতৃত্বে আসা অনেকে নিহত হয়। অনেককে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে রূপনগরের অভিযানে একজন মাস্টার ট্রেইনার নিহত হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তাদের গুলিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। ওই ঘটনার পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা করে পুলিশ। মামলার সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

দৈনিক কিশোরগঞ্জ
দৈনিক কিশোরগঞ্জ
এই বিভাগের আরো খবর