ব্রেকিং:
বিয়ে বাড়িতে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ! বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠনের দাবি তথ্যমন্ত্রীর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথভাবে করা হয়েছে: শিল্প সচিব ‘এখনো ষড়যন্ত্র চলছে, বাতাসে চক্রান্তের গন্ধ’ ‘চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানো হবে’
  • সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ১০ ১৪২৭

  • || ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

দৈনিক কিশোরগঞ্জ
৫১১

অষ্টগ্রামে ভাইসচেয়ারম্যানের স্ত্রীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  

অষ্টগ্রাম উপজেলা পরিষদের ভাইসচেয়ারম্যান মানিক কুমার দেব এর স্ত্রী লিপি দেব (৩৫) এর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের লোকজন বিষয়টিকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করছেন। অন্যদিকে ভাইসচেয়ারম্যান স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলছেন, এটি ‘আত্মহত্যা’।

নিহত লিপি দেব ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা সদরের দত্তপাড়ার মৃত তুলসী দেবের মেয়ে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৪/১৫ বছর আগে অষ্টগ্রাম উপজেলা সদরের কুতুব মসজিদ পাড়ার মানিক কুমার দেব এর সাথে লিপি দেব এর বিয়ে হয়। তাদের দুই ছেলে সন্তানের মধ্যে বছর দু’য়েক আগে বড় ছেলে শুভ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এরপর থেকে মানিক কুমার দেব এর পরিবারের লোকজনের সাথে স্ত্রী লিপি দেব এর নানা বিষয় নিয়ে মতবিরোধ থেকে কলহ চলে আসছিল।

এ রকম পরিস্থিতিতে ভাইসচেয়ারম্যান স্বামীর অনুপস্থিতিতে শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টার দিকে ঘরের দরজা আটকে বিষপান করেন লিপি দেব। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ভাইচেয়ারম্যান মানিকের চাচাতো ভাই নারায়ণ চন্দ্র সরকার লিপি দেবকে স্পিডবোটযোগে সন্ধ্যায় নাসিরনগরের বাবার বাড়িতে নিয়ে যান। সেখান থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে লিপি দেব মারা যান।

এ ব্যাপারে ভাইসচেয়ারম্যান মানিক কুমার দেব জানান, তার ছেলে শুভ’র মৃত্যুর পর থেকে লিপি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের কাজে তিনি শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলার বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়নের গণসংযোগ করছিলেন। এই সুযোগে বাজার থেকে বিষের বোতল কিনে বিকালে ঘরের দরজা আটকে বিষপান করেন লিপি।

টের পেয়ে স্বজনেরা দ্রুত লিপিকে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে স্টমাক ওয়াশের পর কিছুটা সুস্থতাও বোধ করছিলেন লিপি। পরে তার চাচাতো ভাই নারায়ণ চন্দ্র সরকার স্পিডবোটযোগে লিপিকে নাসিরনগর বাবার বাড়ি নিয়ে যান। সেখান থেকে হাসপাতালে নেয়ার পথে লিপি মারা যান।

বিষপানেই লিপি’র মৃত্যু হয়েছে জানিয়ে তিনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি অপপ্রচার বলে দাবি করেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

কিশোরগঞ্জ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর